ই-কমার্স বিজনেস শুরু করার A টু Z গাইডলাইন

0
304
ecommerce business guideline

অনেক দিন থেকে ভাবতেছেন ই-কমার্স ব্যাবসা শুরু করবেন। আবার অনেকের শোরুম কিংবা দোকান আছে সেটাকে অনলাইনে নিয়ে এসে ই-কমার্স ব্যাবসায় রূপান্তর করতে চাচ্ছেন। বা হাল আমলে অনেকে ফেইসবুক পেইজ এবং গ্রুপ কেন্দ্রিক একটা অনলাইন বিজনেস করছেন কিন্তু সেটাকে প্রফেশনাল বিজনেসে রূপান্তর করতে চাচ্ছেন?  

বর্তমানে বাংলাদেশে শিক্ষিত শ্রেণির একটা বৃহদাংশ ই-কমার্স বিজনেসের দিকে ঝুকে পড়ছে। এই ঝুকে পড়ারও অনেক কারনও আছে। বাংলাদেশে ই-কমার্স বিজনেস একটি উঠতি লাভজনক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে। কারন বাংলাদেশের মানুষ এখন বাকি বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে প্রযুক্তিগত ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এবং উন্নত বিশ্বের দেশ গুলোর মত বাংলাদেশেও অনলাইনে শপিং এর প্রবণতা বেড়েই চলছে। এই রাইজিং মার্কেট ধরার জন্য অনেকে মাঠে নেমেছে, নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বা সামনে নামবে। 

আমাদের আজকের লেখায় আমরা আলকপাত করবো কিভাবে প্রফেশনাল লেভেলে ই-কমার্স বিজনেস শুরু করা যায় কিংবা বর্তমান বিজনেস কে কিভাবে ই-কমার্সে রূপান্তর করা যায়।

১। কি নিয়ে ব্যাবসা করবেন সেটা বাচাই কারুন: ই-কমার্স বিজনেসে নামার আগে আপনার নিস বা কি পণ্য নিয়ে ব্যাবসা শুরু করবেন সেটা নির্ধারন করুন। কারন এলোমেলো ভাবে মার্কেটে নেমে প্রতিযোগিতার এই মার্কেটে টিকে থাকা কষ্ট হয়ে যাবে।

অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সে সব কিছু নিয়ে ব্যাবসা করবে কিন্তু সব কিছু নিয়ে ব্যাবসা শুরু করার মত  নতুন একজন উদ্দ্যগতা হয়ে শুরুতে সেটা পারবেন না।কারন সক্ষমতা, বাজেট , জনবল কিংবা অভিজ্ঞতা আপনার সেই লেভেলে নেই। 

আপনি যদি শুরতেই ভাবেন হাজার হাজার কোটি টাকার কম্পানি এমাজন, আলিবাবার মত শুরু করবেন তাহলে শুরুতে পিছিয়ে পড়বেন।কারন এমাজন, আলিবাবা প্রথম দিন থেকে এই জায়গায় আসে নাই, ধাপে ধাপে এসেছে। বরং আপনার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত একদিন তাদের মত হয়ে উঠা। সুতরাং সবার আগে যেই সব পণ্য নিয়ে ব্যাবসা শুরু করবেন সেটা সিলেক্ট করার পর ধরে নিবেন আপনার কাজের প্রথম ধাপ শুরু হয়ে গেল।

২। পণ্যর সোর্স খুজুন: প্রথম ধাপে আপনি যখন কি ধরনের পণ্য নিয়ে ব্যাবসা শুরু করবেন সেটা বাচাইয়ের পর এবার আপনার বাচাই কৃত পণ্যর সোর্স খুজে বের করুন। উদাহরণ হিসেবে ধরুন আপনি গ্যাজেট আইটেম নিয়ে কাজ করবেন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন আপনাকে খুজতে হবে গ্যাজেট আইটেম আপনি হোল সেলে কোথায় পাবেন কারা বাংলাদেশে গ্যাজেট আইটেম গুলো ইম্পোর্ট করে থাকে তাদের কে খুজে বের করুন। 

প্রথম ধাপে এমন পণ্য সিলেক্ট করবেন না, যেটা আসলে আপনি সোর্স করতে পারবেন না কিংবা আপনার জনবল অনুযায়ী আপনি সংগ্রহ করতে পারবেন না।যেমন অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় সে একা একজন ব্যাক্তি অনলাইনে গ্রোসারি আইটেম কিংবা শাক সবজি বিক্রি করবে।যেটার জন্য বিশাল বড় লজিস্টিক টিম থেকে শুরু করে ফাস্ট ডেলিভারি এবং শক্তিশালী সোর্স দরকার।যেটা কিনা একজন নতুন উদ্যগতার জন্য অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং।কিন্তু আপনি যদি বড় বাজেট কিংবা জনবল থাকে তাহলে করতে পারেন।

৩। আপনার ব্যাবসায়িক নাম বাচাই করুন:  প্রথম দুই ধাপ সম্পন্ন করার পর ব্যাবসায়িক নাম বা ব্যাবসার নাম নির্ধারন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ই-কমার্স বিজনেসে অন্যতম এবং প্রধান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কম্পানি নাম বা ডোমেইন নাম নির্ধারন করা। কারন আপনার বিজনেসকে সবাই এই নামেই ছিনবে বা আপনার এই ব্র্যান্ড নামই আপনার বিজনেসকে সবার কাছে পরিচিত করে তুলবে। নাম বাচাইয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার বিজনেস নিস বা যেই ধরনের পণ্য নিয়ে বিজনেস করবেন সেই ধরনের নাম দেয়ার চেস্টা করবেন। কিংবা আপনার যদি একের অধিক নিস বা ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরির পণ্য নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা থাকে তাহলে সেই ভাবেই নাম নির্ধারন করুন।

৪। মার্কেটিং পরিকল্পনা ঠিক করা: উপরের ৩ টি ধাপের পরে আপনার যেটা নিয়ে ভাবতে হবে সেটা হচ্ছে আপনার বিজনেসের মার্কেটিং পরিকল্পনা। প্রথমে কোথায় কোথায় মার্কেটিং করবেন সেটা ঠিক করুন। সেই অনুযায়ী সব কিছু ঠিক করুন। নতুন উদ্দ্যগতারা যেখানে যেখানে মার্কেটিং করতে পারেন সেটার কিছু পরিকল্পনা দেয়া হলোঃ 

    • ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে: আপনার বিজনেস যেই নামে হবে সেই নামে শুরুতেই একটি বিজনেস পেইজ খুলে ফেলুন ফেসবুকে। আর বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ফেইসবুক পেইজ আপনার বিজনেসের সবচেয়ে বড় মার্কেটিং টুলস হিসেবে কাজ করবে। আর অবশ্যই ফেইসবুক পেইজটিকে সুন্দরভাবে এবং সব ইনফরমেশন দিয়ে সাজাবেন যাতে গ্রাহকের কাছে আপনার বিজেনেসের কোয়ালিটি বুজা যায়।  বিজনেস পেইজে অবশ্যই আপনার ভেলিড ইনফরমেশন দিয়ে বানাবেন। বিজনেস পরিপূর্ণ ভাবে শুরু করার পূর্বেই ফেসবুক পেইজে আপনি যেই সব পণ্য নিয়ে কাজ করবেন তা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দিতে পারেন।
    • ফেসবুক গ্রুপ খুলুন বিজনেসের নামে: ফেইসবুকে মার্কেটিং এর আরকটি বড় জায়গা ফেসবুক গ্রুপ। ফেসবুক গ্রুপে যত পারেন রিলেটেড মেম্বারদের এড করুন এবং গ্রুপের সাইজ বড় করুন। আপনার বিজনেসের জন্য এটাও একটি লাভজনক টুলস হয়ে দাঁড়াবে। 
    • পণ্যর রিভিউ করে ইউটিউবে দেয়া:  বর্তমানে বাংলাদেশে যারা ই-কমার্স ব্যাবসা করে তাদের বেশির ভাগই শুধু মাত্র ফেসবুক কেন্দ্রিক মার্কেটিং করে কিন্তু ইউটিঊবে গুরুত্ব দেয় না। কিন্তু ইউটিউবে হতে পারে আপনার বিজনেসের সেলস বৃদ্ধির নতুন মেশিন। আপনার পণ্যর উপর আপনি নিজেই রিভিউ করে সেটা সঠিক ভাবে ইউটিবে পাবলিশ করে রাখুন দেখবেন ক্রমান্বয়ে আপনার ইউটিউবে চ্যানেল আপনার বিজনেসের জন্য বিশাল বড় ব্র্যান্ডিং এবং প্রচারণা নিয়ে আসবে। ইউটিউবে পণ্যর রিভিউ দেখে অনেকে পণ্য কিনার আগ্রহ প্রকাশ করে থাকে সুতরাং রিভিউ বানিয়ে সেখানে আপনার ওয়েব সাইট লিংক কিংবা ঠিকানা দিয়ে রাখতে পারেন।
    • গুগলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেয়া: বর্তমানে বাংলাদেশে হাতেগোনা প্রতিষ্ঠিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ছাড়া তেমন কেউ গুগলের বিজ্ঞাপন ব্যাবহার করে না। তাই এটা হতে পাড়ে কম খরছে দারুন বিজ্ঞাপনের হাতিয়ার।
  • আপনার বিজনেসকে গুগুল সার্চ ইঞ্জিনে পরিচিত করা: আপনার বিজনেসকে গুগুল সার্চ ইঞ্জিনে পরিচিত করতে হলে অবশ্যই ভালো মানের ওয়েব সাইট লাগবে। আপনার বিজনেসের ওয়েব সাইটকে এস ই ও ফ্রেন্ডলি করলে সহজে পেতে পারেন ফ্রি ফ্রি কাস্টমার ।

৫। একটি ভালো মানের ওয়েব সাইট বানানো: আপনি যদি ভেবে থাকেন আপনি দীর্ঘ মেয়াদে বিজনেস করতে চাচ্ছেন এবং অবশ্যই প্রফেশনাল লেভেলে। সেই ক্ষেত্রে ওয়েব সাইট বানানো এবং সেই ওয়েব সাইটকে কেন্দ্র করে আপনার বিজনেসকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বুদ্ধিমানের কাজ। অনেকে বর্তমানে শুধু মাত্র ফেসবুক পেইজ খুলে বিজনেস করে থাকে ।  সেই ক্ষেত্রে তাদের জন্য ওয়েব সাইট বানিয়ে সেটার মাধ্যমে পুরো বিজনেসকে নিয়ে আসলে বিজনেসের ব্র্যান্ড ভ্যালু বৃদ্ধি পাবে।বিজনেসের হিসাব নিকাশ ঠিক থাকবে। আপনার বিজনেসকে গ্রাহকের কাছে আরও বেশি বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে। তাছাড়া ওয়েব সাইট সাজানো থাকলে এবং ওয়েব সাইট গ্রাহকের কাছে পরিচিতি পেলে আপনার রেগুলার অর্ডার পড়তে থাকবে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন ছাড়াই।

ই-কমার্স বিজনেসের জন্য কেন ওয়েব সাইট দরকার জানতে এই লেখাটি পড়ুন

৬। ডেলিভারি ব্যাবস্থা ঠিক করে নেয়া:  যেহেতু আপনার বিজনেস অনলাইনে এবং পণ্য ডেলিভারি কাস্টমারের দোরগোড়ায় দিয়ে আসতে হবে সেই ক্ষেত্রে আপনাকে বিশেষ মনযোগী হতে হবে ডেলিভারি ব্যাবস্থার উপর। 

সবার শুরুতে ডেলিভারি চার্জ নির্ধারন করুন এবং কোন কোন কুরিয়ার ব্যাবহার করে ডেলিভারি করবেন তাদের অবস্থা আগে থেকেই দেখে নিতে পারেন। বর্তমানে ঢাকা কেন্দ্রিক অনেক গুলো কুরিয়ার কম্পানি হয়েছে যাদের সাথে কাজ করলে শুরুর দিকে আপনি ডেলিভারির ব্যাবস্থা নিয়ে কিছুটা যামেলা মুক্ত থাকবেন। কারন শুরুতেই ডেলিভারি ব্যবস্থায় টাকা বিনিয়োগ  না করে আপনি থার্ড পার্টি কুরিয়ার গুলো ব্যবহার করলে সেটা আপনার জন্য আর্থিক ভাবে উত্তম হবে। ঢাকার ভেতর ৫০-৬০ টাকা এবং ঢাকার বাহিরে ৮০-১২০ টাকায় পণ্য ডেলিভারি করে থাকে বেশ কিছু কম্পানি। 

যেহেতু আপনার বেশিরভাগ পণ্য ক্যাশ অন ডেলিভারিতে যাবে এবং টাকা কুরিয়ারের মাধ্যমেই আপনার হাতে আসবে তাই প্রফেশনাল কুরিয়ারে সার্ভিস গুলোর সাথে কাজ করবেন। অনেক নাম সর্বস্ব কুরিয়ার কম টাকায় ডেলিভারির প্রলোভন দেখিয়ে আপনার পণ্যর ডেলিভারি করতে চাইবে তাদের থেকে দূরে থাকবেন। আপনার বিজনেসের সুনাম পণ্যর কোয়ালিটি এবং দ্রুত ডেলিভারির উরপ অনেক নির্ভর করে। তাই ডেলিভারি ব্যবস্থায় কোন হেরফের করবেন না। ঢাকা সহ অন্যান্য জেলা শহর গুলোতে বেশ কিছু কুরিয়ার ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পণ্য পৌঁছে দিয়ে থাকে। এবং পণ্য আপনার অফিস বা বাসা থেকে তারা পিক করে নিয়ে থাকে। এই ধরনের কয়েকটি কুরিয়ার হচ্ছে, পাঠাও কুরিয়ার, ই-কুরিয়ার এছাড়া আরও যেই সকল কুরিয়ারের ব্রাঞ্চে পণ্য দিয়ে আসলে ডেলিভারি করে থাকে তারা হচ্ছে, SA Paribohon, Sundarban, Janani Courier। 

উপরিউক্ত বিষয়ের বাহিরে আরও বেশ কিছু বিষয় আছে যেগুলো জেনে রাখা ভালো ই-কমার্স বিজনেস শুরুর ক্ষেত্রে।

হোলসেলে পণ্য প্রাপ্তির স্থান: 

    • গ্যাজেট আইটেম হোল সেলে কিনার জন্য যেতে পাড়ে মোতালেব প্লাজা এল্যফ্যান্টরোড এবং সুন্দরবন মার্কেট গুলিস্থান। 
    • ইলেক্ট্রনিন্স আইটেম কিনার জন্য যেতে পারেন নবাবপুরের বিভিন্ন মার্কেট গুলিতে এটাও গুলিস্থান। 
    • হোম আপ্লিয়েন্স এবং বর্তমানে অনলাইনে চলা বেশি বিক্রি হওয়া চায়না পণ্য গুলো পেতে যেতে পারেন চকবাজার। চকবাজারে উল্লেখযোগ্য মার্কেট গুলো হলো, মদিনা মার্কেট, বিসমিল্লাহ প্লাজা এবং মিডফোর্ড রোডের অন্যান্য মার্কেট গুলো। 
  • জামা কাপড় আইটেমের হোল সেলের জন্য যেতে পারেন নিউমার্কেট এবং ইসলামপুর।  

ফেসবুকে কিভাবে বিজ্ঞাপন দিবেন?

অনেকে ব্যাবসা শুরুর পর কিভাবে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিবে সেটার সঠিক তথ্য না জানার দরুন বিভিন্ন এজেন্সি গুলোর দ্বারস্থ হয়ে থাকে যেখানে কিনা অতি উচ্চ মূল্য বিজ্ঞাপন দিতে হয়। ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেয়ার সহজ উপায় হচ্ছে আপনার একটি মাস্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড থাকলেই হবে। অনেকে হয়তো মাস্টারকার্ড কিংবা ভিসা কার্ড প্রাপ্তি যামেলাপূর্ণ মনে করেন তাদের জন্যও আছে সহজ সমাধান।

বাংলাদেশে কোন ধরনের একাউন্ট বা ব্যাংক ব্যালেন্স ছাড়াই মাস্টারকার্ড কিংবা ভিসা কার্ড দিয়ে থাকে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড(ইবিএল)। সেই ক্ষেত্রে শুধু মাত্র আপনার ভোটার আইডি কার্ড বা পাসপোর্ট এর ফটোকপি দিলেই হবে। তবে এখানে উল্লেখ্য যে, আপনার কার্ডে ডলার এন্ডর্স করাতে হবে অবশ্যই পাসপোর্ট থাকতে হবে। সেই ক্ষেত্রে আপনার পাসপোর্ট না থাকলে যে কোন নিকট আত্মিয়কে দিয়ে খোলাতে পারেন। মাস্টারকার্ড কিংবা ভিসা কার্ড পেয়ে গেলে সেখানে টাকা জমা দিলে সমপরিমাণ ডলার জমা করে দেয় ব্যাংক কতপক্ষ।

কিভাবে ফেসবুকে সফল ভাবে বিজ্ঞাপন দিবেন সেটা নিয়ে অন্য আরেকটি লেখা লেখবো। ই-কমার্স রিলেটেড আমাদের লেখা গুলো মেইলে পেতে ফর্মটি পূরন করে রাখুন। ফর্ম লিংক

বিডিটাস্ক লিমিটেড বাংলাদেশের ই-কমার্স বিজনেসকে উৎসাহ দিতে এবং প্রফেশনাল লেভেলের ই-কমার্স বিজনেস মডেল দাড় করাতে নিয়ে এসেছে  BDTASK E-Commerce Service । এই সার্ভিসের আওতায় পাচ্ছেন সম্পূর্ণ রেডি ই-কমার্স সাইট এবং বিজনেস রিলেটেড সফটওয়ার গুলো একই প্ল্যাটফর্মে। যেমন ইনভেনটরি, কুরিয়ার ম্যানেজম্যান্ট, একাউন্টস। সব গুলো সফট ওয়ার একসাথে সাথে এই সার্ভিসের ভেতর পাবেন যেখানে একটির সাথে আরেকটি ইন্টিগ্রেট করা যাতে বিজনেস হবে অনেক সহজ। সাথে থাকছে সম্পূর্ণ সিস্টেম স্মুথলি রান করানোর জন্য ২৫ জিবি ক্লাউড হোস্টিং এবং ২৪ ঘণ্টা টেকনিকাল সাপোর্ট। এই সার্ভিসের বিষয় বিস্তারিত জানতে কল করুন: 01515-618759

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here